ইতিহাস ও খ্যাতি: ১৯০০ সালের দিকে কুমিল্লার মাতৃ ভাণ্ডার এই মিষ্টি তৈরি করে দেশজুড়ে খ্যাতি পায়। ২০২৪ সালে কুমিল্লার রসমালাই বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।
তৈরির উপকরণ: প্রধানত ছানা (দুধ ফাটিয়ে তৈরি), চিনি, ঘন তরল দুধ, এলাচ এবং জাফরান ব্যবহৃত হয়। ঘরে বসে দ্রুত তৈরির জন্য অনেকে গুঁড়া দুধও ব্যবহার করেন।
পুষ্টিগুণ: এটি প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামের একটি ভালো উৎস। প্রতি ১৫০ গ্রাম পরিবেশনে প্রায় ১০-১২ গ্রাম প্রোটিন থাকে। তবে এটি ক্যালরি-সমৃদ্ধ হওয়ায় নিয়মিত খেলে ওজন বাড়তে পারে
এখনো কোনো রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউ দিন!