১. স্বাস্থ্যগত উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ
হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য: পটলে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ থাকে, যা পরিপাকতন্ত্রকে সচল রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণ: এটি একটি কম ক্যালরিযুক্ত সবজি (প্রতি ১০০ গ্রামে মাত্র ২০ ক্যালরি)। তাই ওজন কমাতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের জন্য এটি একটি আদর্শ খাবার।
রোগ প্রতিরোধ: এতে থাকা ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সর্দি-জ্বর থেকে রক্ষা করে।
ডায়াবেটিস ও হার্ট: পটলের বীজ এবং এর নির্যাস রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমাতে সহায়ক।
ত্বকের সুরক্ষা: এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন এ ও সি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং বয়সের ছাপ রোধে কাজ করে।
Wikipedia
Wikipedia
+4
২. জনপ্রিয় কিছু রেসিপি
বাঙালি রান্নায় পটলের বহুমুখী ব্যবহার রয়েছে:
পটলের দোলমা: পটলের ভেতর থেকে বীজ বের করে সেখানে মাছ, মাংস বা পনিরের পুর ভরে রান্না করা এই পদটি অত্যন্ত রাজকীয়।
দই পটল: টক দই ও বিভিন্ন মসলা দিয়ে তৈরি পটলের এই নিরামিষ পদটি বেশ জনপ্রিয়।
পটল পোস্ত: পোস্ত বাটা ও সর্ষের তেল দিয়ে মাখা মাখা করে রান্না করা হয়।
অন্যান্য: পটল ভাজি, পটলের ভর্তা, আলু-পটলের ডালনা বা রসা, এবং ইলিশ মাছের সাথে পটলের ঝোল ঘরোয়া খাবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
৩. চাষাবাদ তথ্য
চাষের সময়: বাংলাদেশে সাধারণত আশ্বিন-কার্তিক (সেপ্টেম্বর-নভেম্বর) এবং শীতের শেষে ফাল্গুন-চৈত্র (ফেব্রুয়ারি-এপ্রিল) মাস পটল চাষের উপযুক্ত সময়।
পদ্ধতি: পটল একটি লতানো উদ্ভিদ, তাই এটি মাচা বা বেড পদ্ধতিতে চাষ করা হয়। ভালো ফলনের জন্য হাত-পরাগায়ন (কৃত্রিম পরাগায়ন) পদ্ধতি বেশ কার্যকর।
এখনো কোনো রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউ দিন!